All MicroEvals
youtube video script edit "movie explain video"
Create MicroEval
Header image for youtube video script edit "movie explain video"

youtube video script edit "movie explain video"

এটি হচ্ছে আমার ইউটিউব ভিডিও র জন্য তৈরি একটি মুভির স্ক্রিপ্ট। এই মুভিটির নাম হচ্ছে Masooda (2022) । আমি তোমাকে দিয়েছি এই মুভির স্ক্রিপ্ট। তো এখান থেকে তোমাকে ১০ মিনিট ভিডিও ডিউরেশন রেখে তিন থেকে চারটি স্ক্রিপ্ট তৈরি করতে হবে পার্ট বাই পার্ট। মানে এতোটুকু স্ক্রিপ্ট রাখবে যাতে করে ওই স্ক্রিপ্টের উপরে ভিডিও বানালে ১০ মিনিট ডিউরেশন হয়। এভাবে স্ক্রিপ্টের পরিমাণ দেখে যে কয়টা স্ক্রিপ্ট হয় সেই কয়টা স্ক্রিপ্ট তৈরি করে দিবে। আমি এই স্ক্রিপটিভ পরবর্তীতে ইংরেজি এবং জার্মানি ভাষায় অনুবাদ করব এজন্য বানান এবং দাড়ি কমা সবকিছু ঠিক রাখবে। এটি হচ্ছে একটি হরর মুভি। স্ক্রিপ্টগুলো এমনভাবে ধারাবাহিক ভাবে তৈরি করবে যাতে করে দর্শক বোরিং না হয়। দর্শক যাতে মুভির প্রতি অনেক আকৃষ্ট থাকে এবং ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত যাতে দেখে। সেভাবেই স্ক্রিপ্ট তৈরি করবে। তুমি তোমার কাজটি শুরু করে দাও।

Prompt

মাঝরাতে একটা লোক তার ছোট ভাই ফ্যাজালকে ঘুম থেকে তুলে জঙ্গল পথে কারোর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। বেশ কিছুটা ভিতরে যাওয়ার পর লোকটা হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ে। ভাই জিজ্ঞাসা করে, কি হলো ,দাঁড়িয়ে পড়লে.? খেয়াল করল, চারিদিকে রাত পোকা আর ব্যাঙের আওয়াজ হঠাৎ থেমে গেল‌। এটা তখনই হয়, যখন আশেপাশে কোন বিপদ বা অশুভ শক্তির আগমন ঘটে। তারা ভয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে পড়ে। শুধুমাত্র নিঃশ্বাসের আওয়াজটাই শোনা যাচ্ছিল। তখনই তাদের থেকে কিছুটা দূরে বোরখা পরা ১ মহিলাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে। লোকটা তার ভাইকে প্রাণ বাঁচানোর জন্য পালাতে বলে। নিজে কাটারি নিয়ে মহিলাটির দিকে দৌড়ে গেলে, তখনই কেউ যেন তার পা ধরে টেনে নিয়ে যায়। ফ্যাজেল ভাইয়ের চিৎকার শুনে ভয়ে উল্টে পড়ে যেতেই তার সাথেও একই ঘটনা ঘটে। এরপর একটা বাচ্চা মেয়ে বৃষ্টির রাতে ছুটে এসে মীর চাচাকে এই ঘটনা জানায়। মীর চাচা শুনতেই একটা সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়লে বাচ্চাটাও বলে, আমিও যাব। সেই ভয়ঙ্কর রাতে দুজন রুদ্ধশ্বাসে জঙ্গলপথে যাওয়ার সময়, একটা বড় ডাল তাদের উপর এসে পড়ায়, অ্যাক্সিডেন্ট হলে চাচা ভষণ রকম আহত হয়। আর সাথে বাচ্চা মেয়েটার চোখে গাছের ডাল ঢুকে যায়। গ্রামের এক প্রান্তে এক পোড়াবাড়িতে সেই বোরখা পরা মহিলাকে ভয়ঙ্কর রকমের ব্ল্যাকম্যাজিক করতে দেখি এবং সে দুই ভাইকে ঝুলিয়ে রেখেছে। আশেপাশে পড়ে রয়েছে একাধিক মাথার খুলি সাথে পশুদের ঝুলন্ত পচা দেহ। মহিলাটিকে এই বিষয়ে আরেকজন সাহায্য করছিল। ব্ল্যাকম্যাজিকের প্রভাব এতটাই ভয়ানক ছিল যে তারা নিজেদের বাঁচানোর শক্তি হারিয়ে ফেলে। এরপর দেখানো হয় ১০ বছর পরের ঘটনা অর্থাৎ উনিশশো নিরানব্বইয়ের হায়দ্রাবাদ। মীর চাচাসহ কয়েকজন লোকজন এবং সেই বাচ্চা মেয়েটাও বাস এ করে কোথাও যাচ্ছে। চাচার হাতে একটা ছুরি এবং মেয়েটার হাতে রয়েছে মাজারের পবিত্র চাদর। গন্তব্যস্থলে পৌঁছে তারা একটা বাড়ির সামনে দাঁড়ায়। এই বাড়িতে ঢুকতে প্রত্যেকে ভয় পাচ্ছে, কিন্তু কেন? কোনরকমে মনের সাহস যুগিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে। কিন্তু ঢুকতেই একে একে সবাই রক্তবমি করতে শুরু করে। মেয়েটা দূর থেকে দাঁড়িয়ে এই ভয়ানক ঘটনা দেখছিল। মীর চাচা তাদের অনেক বাঁচানোর চেষ্টা করে। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য শক্তি যেন তাদের আটকাচ্ছে। অবশেষে সবাইকে বাঁচানোর জন্য মীর চাচা একটা রুমে প্রবেশ করতে গেলে, মেয়েটি ছুটে এসে তার হাতে পবিত্র চাদর দিয়ে বলে, চাচা এটা নিয়ে যাও। এই ঘটনার কিছুদিন পর এই বাড়িতে পুলিশ আসে। যাত্রাপথে কনস্টেবল অফিসারকে বলে, এই বাড়ির মালিক তার বউকে নাকি খুব পেটাতো। মাঝেমধ্যেই বাড়ি থেকে চিৎকার চেঁচামেচির সাথে মাঝরাতে গোঙ্গানির শব্দ আসতো। ফ্যামিলি ম্যাটার বলে কেউ নাক গলায়নি। কিন্তু এই কদিন থেকে নাকি বিভাস্ব পঁচা গন্ধ আসছে। মিউনিসিপালটির লোক পরিষ্কার করতে গিয়ে জানতে পারে, লোকটা তার বউকে মেরে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে আর সেটা থেকেই গন্ধ। বাড়িটার সামনে পৌঁছলে উপস্থিত কনস্টেবল অফিসারকে বলে স্যার ভেতরে যাওয়ার আগে নাক মুখ বেঁধে নিন। কিন্তু সে পরোয়া না করে ভিতরে ঢুকলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বাইরে এসে ভয়ানক বমি করতে থাকে। অবশেষে অফিসার মুখে কাপড় বেঁধে কয়েকজন কনস্টেবলকে নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলে শেখানকার দৃশ্য দেখে চমকে যায়। কারণ একটা পচা গলা বোরখা পরা মৃতদেহ গাছের সাথে বাঁধা রয়েছে। ভয়ঙ্কর তার অবস্থা। মাছি ভনভন করছে, শরীর থেকে মাংস খুবলে খাচ্ছে পোকা। ঘটনা এখান থেকে চেঞ্জ হয়ে বর্তমানে ফিরে আসে। অর্থাৎ দু হাজার বাইশ সালে আমরা এখানে হায়দ্রাবাদের ফ্ল্যাটে এক মুসলিম পরিবার ও তার প্রতিবেশকে দেখি। পরিবারে রয়েছে নিলাম ( একটি মেয়ের নাম) ও তার মেয়ে নাজিয়া ( একটি মেয়ের নাম)। বরের সাথে ঝামেলা হওয়ার কারণে তারা একসাথে থাকে না। কিন্তু বরের হাত থেকে মেয়েকে বাঁচানোর জন্য প্রতি মাসে নিলাম তাকে টাকা দেয়। কারণ নিলামের স্বামীটা একটু গুন্ডা প্রকৃতির। তাদের প্রতিবেশর নাম গোপি ( একজন পুরুষ) সে একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। নিলাম পেশায় একজন স্কুল টিচার হওয়া সত্ত্বেও তার স্যালারি একদমই কম। তাই ধারদেনা করে তাদের দিন চলে। ফ্ল্যাটের ভাড়া ৩ মাস দেওয়া হয়নি। কিন্তু সবকিছু ম্যানেজ করে নিজের মেয়ের মুখে একটু হাসি দেখার জন্য নিলাম সবকিছু মানিয়ে চলে। গোপির সাথে রক্তের সম্পর্ক না হওয়া সত্ত্বেও সে কিন্তু তাদের সব বিষয়ে সাহায্য করে। প্রতিদিনের মতো অফিস যাওয়ার পথে একটা লোক তার পথ আটকে দাঁড়ায়। এই লোকটা তাকে ঝেড়ে দেওয়ার নামে একশো টাকা করে চায় আর বলে তোর জন্য আমি আজমির শরিফে গিয়ে দোয়া করে আসবো। এই কথা কতটা সত্যিই গোপি জানে না কিন্তু প্রতিবার খুশি মনে তাকে টাকা দেয়। এরপর মীর চাচাকে দেখানো হয়, সে কিছু একটা ঘুমের মধ্যে দেখে চমকে ওঠে। সময় নষ্ট না করে হাতে একটা ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পড়ে কারোর উদ্দেশ্যে। গোপির অফিসে প্রমোশনের কথা আছে। তার বন্ধু সুধাকর (একটি ছেলের নাম) এতে ভষণ খুশি। গোপি প্রচন্ড ভীতু ও সাদাসিধে ছেলে হওয়ার কারণে অফিসের ক্রাশ মিনিকে মনের কথা বলতে পারে না। সামনেই আবার তার জন্মদিন আসছে। তাই সুধাকর তাকে অনেক জোর করায়, গোপি মিনির গাড়িতে সারপ্রাইজ বার্থডে কার্ড রেখে তাকে সিনেমা যাওয়ার জন্য এপ্রোচ করে। কিন্তু মিনি এই প্রস্তাবে রাজি হয় না। এদিকে নিলামের হাজবেন্ড স্কুলে তার থেকে এই মাসের টাকা নিতে আসে। এমনিতেই নিলামের কাছে ভাড়া দেওয়ার টাকা নেই, তবুও নিজের মেয়ের কথা ভেবে বেশিরভাগ টাকা তাকে দিয়ে দেয়। কিন্তু দূর থেকে তাদের কে মীর চাচা লক্ষ্য করছিল‌। এই স্কুলে তার মেয়ে নাজিয়া পড়ে। তার আজকে আকার ক্লাস। খুব সুন্দর ড্রইং করতে পারে সে। ক্লাসে তার বন্ধু লক্ষ নাজিয়ার হাতের বেসলেটের খুব প্রশংসা করে। জিজ্ঞাসা করে এটা কবে কিনলি.? নাজিয়া বলে আরে,